মহানগর ডেস্ক: পৃথিবীর বহু দেশে রয়েছে স্পেশাল ফোর্স (Special Force)। যে বাহিনীতে খুব উচ্চপ্রশিক্ষিত ও দক্ষ সেনারা থাকেন (Highly Trained)। তাঁরা যেমন বিশ্বস্ত,তেমনই কঠিন দায়িত্ব পালন করেন, যেমনটা সেনাবাহিনীরা করে থাকেন। বিশ শতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (World War-II) সময় তাদের তৈরি করা হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন প্রতিটি সেনা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন,তখন বিশেষ অভিযানে এঁদের কাজে লাগানো হয়। স্পেশাল ফোর্সের সদস্যদের কঠোরতম প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সেই কঠোর ও ভয়ঙ্করতম প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খুব কম সংখ্যককে স্পেশাল ফোর্সে নিয়োগ করা হয়। প্রথমেই রয়েছে ব্রিটেনের স্পেশাল এয়ার সার্ভিস,এটি ব্রিটেনের সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী। তৈরি হয় ১৯৫০ সালে।
সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলা, পণবন্দিদের উদ্ধার করার কাজে এই স্পেশাল ফোর্সকে কাজে লাগানো হয়। প্রাথমিক নির্বাচনের চৌহদ্দি পেরিয়ে মাত্র ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশকে এই বিশেষ বাহিনীতে নিয়োগ করা হয়ে থাকে। দুশোজনের মধ্যে তিরিশ জনেরও কম সদস্যকে সুযোগ দেওয়া হয়। ইজরায়েলের স্পেশাল ফোর্সের নাম শাইয়েটেট থারটিন। এই বিশেষ বাহিনী সেদেশের নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান শক্তি। এই বাহিনীর প্রধান বিশেষত্ব সমুদ্র থেকে ভূমিতে শত্রুপক্ষের মোকাবিলা করা। এছাড়া কোনও অন্তর্ঘাত হলে তাকে সমূলে বিনাশ করা। সঙ্গে নৌপথে কোনও গোপন খবর সংগ্রহ,সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও নৌপথে পণবন্দিদের উদ্ধার করা।
অস্ট্রিয়ার স্পেশাল ফোর্সের নাম জাডকোমোডো । এটি সেদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে রয়েছে। এদের প্রধান কাজ বিদ্রোহদমন,জঙ্গিদের মোকাবিলা করা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকেই এই বিশেষ বাহিনীর উৎপত্তি হয়। সেসময় অস্ট্রিয়ার কেএউকে সেনাবাহিনীকে ম্যানহান্ট কমান্ড বলে ডাকা হতো। প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনীর নাম পাকিস্তান স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ। যাদের এসএসজি নামেও ডাকা হয়। কখনও কখনও মেরুন বেরেট বলেও ডাকার রেওয়াজ রয়েছে। বিদ্রোহ দমন, সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলা, অপ্রচলিত যুদ্ধ এবং বিদেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষায় এরা ভূমিকা নিয়ে থাকে।