মহানগর ডেস্ক: বর্ষাকালে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ায় লক্ষ-লক্ষ মানুষ সংক্রমিত হয় এবং ডেঙ্গুর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে। বর্ষা মিটতেই ডেঙ্গি মশার দাপট বেড়েছে। কলকাতার পাশাপাশি ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা গিয়েছে শহরতলি ও একাধিক জেলাতেও। ডেঙ্গুর একবার চরম আকার নিলে বিপদ। তাই প্রথমেই এই জ্বর চিহ্নিত করা জরুরি। প্রতি বছর এই মরসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে।
স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এখনো রাজ্যে ডেঙ্গুর আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার। মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। নেপথে অবশ্য ডেঙ্গুর মারাত্মক দুই প্রজাতি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। নাইসেডের পাঠানো রিপোর্ট বলছে, এবছর দাপট দেখাচ্ছে, ডেঙ্গুর ডেন্ভ্ (denv) টু ও ডেন্ভ্ থ্রি স্ট্রেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে পজিটিভ রোগীদের নমুনা পাঠানোর পর এমনটাই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজ্যের বয়স্করা পাবেন মাসে হাজার টাকা, জেনে নিন আবেদনের নিয়ম…..
এডিস ইজিপ্টাই মশা ডেঙ্গুর বাহক। পরিষ্কার জলে এরা ডিম পাড়ে। এই মশার পুরো জীবনচক্রে এদের মধ্যে ডেঙ্গির জীবাণু থাকে। স্ত্রী মশা ডিম পাড়লে তার মাধ্যমে জন্মানো নতুন মশার শরীরেও ডেঙ্গুর জীবাণু সংক্রমিত হয় এবং সেই মশা কামড়ালে ছড়ায় ডেঙ্গি। নাইসেড জানিয়েছে, ডেঙ্গুর সাধারণত ৪টি প্রজাতি। তার মধ্যে উক্ত দুই প্রজাতি বেশি সংক্রামক।
নাইসেড সূত্রে খবর, চলতি বছরের অগাস্ট মাস পর্যন্ত, নাইসেড ১২৪টি ডেঙ্গুর নমুনা পরীক্ষা করেছে। তাতে ৯৩টিতে ডেন্ভ্ থ্রি ও ২৭টিতে ডেন্ভ্ টু প্রজাতির হদিশ মিলেছে বলে খবর। নাইসেড অধিকর্তা শান্তা দত্ত জানান, “চারটির মধ্যে এই দুটিই বেশি ছড়ায়। কে ভাল, কে খারাপ, সেটা দেখা ঠিক হবে না। এদুটোই বেশি পাচ্ছি। খতিয়ে দেখা দরকার, গতবার যারা থ্রিতে আক্রান্ত, তারা নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন কিনা। এই পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই।”